ক্রিয়েটর, সেলিব্রিটি ও তাঁদের টিমের জন্য

দিনে হাজার কমেন্ট, একটাই ইনবক্স। কথা থাকে আপনার মতোই।

CXTIME আপনার পেজের সব DM, কমেন্ট আর রিভিউ নিয়ে আসে এক স্ক্রিনে, আর রিপ্লাই ড্রাফট করে ঠিক আপনি যেভাবে লিখতেন সেভাবে। Suggestive মোডে আপনি বা আপনার টিম অ্যাপ্রুভ না করা পর্যন্ত কিছুই যায় না। প্রতিটি সংবেদনশীল কাজ অডিট হয়।

১৪ দিন সম্পূর্ণ ফ্রি। কোনো কার্ড লাগবে না।

হাজার কমেন্টের পোস্ট, গোছানো: রিপ্লাই, টিমের কাছে পাঠানো, হাইড

সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার রাখার কোনো বিকল্প আছে?

আছে। CXTIME ম্যানেজারের রুটিন কাজের বড় অংশটা করে দেয়, আর সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গাটা রাখে আপনার হাতে। প্রতিটি নতুন DM আর কমেন্ট পড়ে, আপনার লেখার ধরনে রিপ্লাই ড্রাফট করে, আর যেখানে সত্যিকারের সিদ্ধান্ত লাগে সেটা রেখে দেয় আপনার টিমের জন্য। খরচ ঢাকায় একজন SMM এর বেতনের ছোট্ট একটা অংশ। নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতেই থাকে, শুধু একই পঞ্চাশটা প্রশ্নের উত্তর কপি-পেস্ট করাতে আর কাউকে বেতন দিতে হয় না।

বড় রিচের পেজে একই প্রশ্ন বারবার আসে: বুকিং রেট কত, ইভেন্ট কবে, কোথায় পাওয়া যাবে, কোলাবরেশন করা যাবে কি না। একজন ম্যানেজারের পুরো দিন চলে যায় এগুলোর উত্তর দিতেই, তবু রাত ১টার অর্ধেক মেসেজ চোখ এড়িয়ে যায়। এই বারবারের প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয় AI, আর আপনার ম্যানেজার সামলান সেই দশটা কথোপকথন, যেগুলো সত্যিই জরুরি।

এজেন্সি আর ছোট টিমের হিসাব আলাদা, কিন্তু সমাধান একই। CXTIME থাকলে যে পেজগুলো চালাতে আগে তিনজন লাগত, একজনই চালাতে পারেন, আর কোনো পোস্ট ভাইরাল হয়ে মেসেজ হঠাৎ বেড়ে গেলেও কাজের মান কমে না।

কমেন্ট সামলানো কঠিন হয়ে গেলে Facebook পেজের কমেন্ট ম্যানেজ করব কীভাবে?

CXTIME আপনার পোস্টের সব কমেন্ট আনে একটা কমেন্ট ইনবক্সে। রুটিন কমেন্টের রিপ্লাই দেয় AI, যেগুলো আপনার দেখা দরকার সেগুলো আলাদা করে চিহ্নিত হয়, আর স্প্যাম ও গালাগালি একই স্ক্রিন থেকে হাইড করা যায়। দুই হাজার কমেন্টের পোস্ট থেকে বাকি থাকে ছোট্ট একটা লিস্ট, যেখানে শুধু সেগুলোই থাকে যা সত্যিই কারো দেখা উচিত।

Facebook কমেন্ট আর Instagram এর পোস্ট ও রিল কমেন্ট আসে এক জায়গায়, পাশেই থাকে Messenger, Instagram আর WhatsApp মেসেজ, Facebook পেজ রিভিউ আর Google Business রিভিউ। কোনো কিছুর দুবার রিপ্লাই হয় না, আবার কিছু চোখের আড়ালেও থেকে যায় না।

পাবলিক পেজে রিপ্লাই যতটা জরুরি, কমেন্ট সামলানোও ততটাই। স্ক্যাম লিংক আর গালাগালি ফলোয়াররা দেখার আগেই হাইড করা যায় এখান থেকেই, আলাদা কোনো টুল লাগে না।

AI কি আমার হয়ে রিপ্লাই দেবে, অথচ এমন কিছু বলবে না যা আমি কখনো বলতাম না?

Suggestive মোডে অবশ্যই। AI প্রতিটি রিপ্লাই ড্রাফট করে, আর পাঠানোর আগে প্রতিটি আপনার টিমের কেউ অ্যাপ্রুভ করেন। তাই আপনার সম্মতি ছাড়া আপনার নামে কিছুই যায় না। প্রতিটি চ্যানেলে ড্রাফট কেমন শোনাবে, তা ঠিক করে দেয় Bot Behaviour এডিটর, সেভের আগে প্রিভিউসহ: আপনার টোন, আপনার বলার ধরন, বাংলা, ইংরেজি বা আপনি যেভাবে মিশিয়ে বলেন। সত্যি কথা বলতে, রুটিন রিপ্লাইয়ে আপনার ধরন ভালোই মেলে, বাকিটা আপনার টিম এডিট করে নেয়।

পাবলিক ফিগারের ঝুঁকি ভুল দাম নয়, ভুল একটা বাক্য। সেজন্যই অ্যাপ্রুভাল এখানে আলাদা একটা মোড, মেনুর ভেতরে লুকানো কোনো সেটিং নয়। অনেক টিম সবসময় Suggestive এই চালায়। কেউ কেউ রুটিন প্রশ্ন Autopilot এ ছেড়ে দেয়, সেখানেও প্রতিটি অটো রিপ্লাইয়ের রেকর্ড থাকে, পরে দেখে নেওয়ার জন্য।

Off মোডও আছে। পুরোপুরি হাতে চালালেও, ছয়টা অ্যাপ আর একটা শেয়ার করা পাসওয়ার্ডের চেয়ে সব কিছুর জন্য একটাই ইনবক্স অনেক ভালো।

Suggestive মোড: AI ড্রাফট করে, টিম অ্যাপ্রুভ করলে তবেই যায়
Bot Behaviour এডিটরে চ্যানেল অনুযায়ী লেখার ধরন, প্রিভিউসহ
Autopilot এ প্রতিটি অটো রিপ্লাইয়ের রেকর্ড থাকে
যেকোনো সময় চ্যানেল অনুযায়ী মোড বদলানো যায়

একটা টিম মিলে সেলিব্রিটি পেজ কীভাবে সামলায়?

টিমের প্রত্যেকে পান নিজের লগইন আর রোল, চ্যাট অ্যাসাইন আর হাতবদল হয় CXTIME এর ভেতরেই, আর প্রতিটি সংবেদনশীল কাজ অডিট হয়। পেজের পাসওয়ার্ড কারো সাথে শেয়ার করতে হয় না, আর প্রত্যেকের আলাদা ভিজিবিলিটির কারণে যে যাঁর নিজের পেজ আর চ্যাটই দেখেন।

কে কী করলেন তার হিসাব থাকলে তবেই টিম ভরসার জায়গা হয়। Suggestive মোডে AI এর ড্রাফট ড্রাফটই থাকে, যতক্ষণ না কেউ পাঠান, আর Autopilot এর প্রতিটি রিপ্লাইয়ের রেকর্ড থাকে। কেউ চাকরি ছেড়ে গেলে সব পাসওয়ার্ড বদলাতে হয় না, শুধু তাঁর লগইনটা সরিয়ে দিলেই হলো।

এজেন্সিগুলো প্রতিটি ক্লায়েন্টের জন্য আলাদা নলেজবেজ আর আলাদা AI আচরণ ঠিক করে দেয়। Owner, Admin আর Support রোলের ওপর আটটি ভিজিবিলিটি প্রিসেট দিয়ে প্রতিটি টিম থাকে শুধু নিজের ক্লায়েন্টের কাজে।

বাংলাদেশে সেলিব্রিটি পেজ ম্যানেজমেন্টের খরচ কত?

CXTIME এর প্যাকেজ শুরু মাসে ৳৫,০০০ থেকে, একটা Facebook পেজের জন্য। ৳১০,০০০ এর Growth এ যোগ হয় WhatsApp আর Instagram, আর ৳১৫,০০০ এর Scale এ দশটা পর্যন্ত চ্যানেল, আনলিমিটেড AI রিপ্লাইসহ। ঢাকায় একজন পেজ অ্যাডমিনের খরচ মাসে ৳২৫,০০০ থেকে ৪০,০০০, আর একা একজন মানুষ রাত আর ছুটির দিন কভার করতে পারেন না।

১৪ দিনের ফ্রি ট্রায়াল আছে, কার্ড লাগে না। তাই সবচেয়ে ভালো উপায়: একটা পেজ কানেক্ট করুন, এক সপ্তাহ Suggestive মোডে চালান, আর AI এর ড্রাফট মিলিয়ে দেখুন আপনার টিম যা লিখত তার সাথে।

সংখ্যায়

পাবলিক পেজের সব দিক, এক জায়গায়

৬

চ্যানেল এক ইনবক্সে, কমেন্ট আর রিভিউসহ

৩

ইনবক্সের তিন ভাগ: মেসেজ, কমেন্ট, রিভিউ

৩

AI মোড: Off, Suggestive, Autopilot

৮

ভিজিবিলিটি প্রিসেট, টিম রোলের ওপরে

প্রশ্ন

সাইন আপের আগে যা জানতে চান সবাই

প্রতিটি ড্রাফট আগে আপনিই দেখুন।

একটা পেজ এক সপ্তাহ Suggestive মোডে চালান, আর AI এর ড্রাফট মিলিয়ে দেখুন নিজের রিপ্লাইয়ের সাথে। ১৪ দিন ফ্রি, কার্ড লাগে না।